পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে দেশের বিভিন্ন গ্রামীণ এলাকায় টানা ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। ভোলা, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, রংপুর, পটুয়াখালী, মুন্সীগঞ্জ, সাতক্ষীরা ও যশোরসহ বেশ কয়েকটি জেলায় পরিস্থিতি ছিল সবচেয়ে খারাপ। কোথাও কোথাও বিদ্যুতের দাবিতে স্থানীয়রা বিদ্যুৎ অফিসের সামনে বিক্ষোভও করেন। বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, কালবৈশাখীর কারণে খুঁটি ভেঙে পড়া ও সঞ্চালন লাইন ছিঁড়ে যাওয়ায় এই বিভ্রাট ঘটে।
বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, ঈদের ছুটিতে অফিস ও কলকারখানা বন্ধ থাকায় চাহিদা কম ছিল, তবে ঝড়ের ক্ষতির কারণে সরবরাহ ৫,৫০০ মেগাওয়াটে সীমিত ছিল। সারাদেশে রক্ষণাবেক্ষণ টিম কাজ করেছে এবং দুই দিনের মধ্যে অধিকাংশ সঞ্চালন লাইন মেরামত সম্পন্ন হয়েছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ হিসাব এখনো নির্ধারণাধীন।
এদিকে, সরকার ১ জুন থেকে পুনরায় নির্দেশ দিয়েছে যে সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকান সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখতে হবে। ঈদ উপলক্ষে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলার বিশেষ অনুমতি শেষ হয়েছে। একই নিয়ম বিলবোর্ড, মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
ঈদে গ্রামীণ এলাকায় বিদ্যুৎ-বিভ্রাট, সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে দোকান বন্ধের নির্দেশ পুনরায় কার্যকর
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।