বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও ঢাকায় অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল বাণিজ্য, বিনিয়োগ, দক্ষতা উন্নয়ন ও গবেষণা সহযোগিতা বিস্তারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক গভীর করতে বাণিজ্য আলোচনার সক্ষমতা, শিক্ষা, কৃষি, পশুসম্পদ ও বিনিয়োগে পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী জানান, WTO-এর আইন ও বাণিজ্য আলোচনায় সরকারি কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়াতে দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির পরিকল্পনা করছে সরকার। এ জন্য একটি গবেষণা ও স্টাডি সেন্টার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালকদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কর্মসূচির পরিকল্পনার কথা বলেন তিনি। সুসান রাইল বলেন, পরিকল্পিত ও ধারাবাহিক এ ধরনের কর্মসূচিতে সহযোগিতায় অস্ট্রেলিয়া আগ্রহী।
উভয় পক্ষ বাংলাদেশের LDC উত্তরণ-পরবর্তী বাণিজ্য সুবিধা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অবস্থান ও ভবিষ্যৎ বাজারে প্রবেশাধিকার নিয়ে মতবিনিময় করে নিয়মিত সংলাপের গুরুত্ব তুলে ধরে। রাইলের মতে, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য প্রায় ৫.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং তা বাড়ছে। অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফরের পরিকল্পনাও রয়েছে। গরুর মাংস রপ্তানি, হালাল সনদ, পশুর ট্রেসেবিলিটি ও আধুনিক লাইভস্টক ব্যবস্থাপনাও আলোচনায় ছিল।
বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও দক্ষতা উন্নয়ন সহযোগিতা বাড়াতে আলোচনা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।