রাজনৈতিক বিশ্লেষক দিলশানা পারুল ১০ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত এক লেখায় জুলাই অভ্যুত্থনকে ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ‘ডিনায়াল’ বা অস্বীকার এবং ‘ডিফেমেশন’ বা কলঙ্কিতকরণের কৌশল নিয়ে আলোচনা করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের আন্দোলনে হত্যা ও নৃশংসতার ভিডিও-ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়ালে আওয়ামী লীগপন্থিরা সেগুলোকে যাচাই ছাড়াই ভুয়া ও প্রোপাগান্ডা বলে দাবি করত। লেখক এটিকে দলটির সচেতন রাজনৈতিক অবস্থান হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
লেখাটিতে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ কেবল হত্যাকাণ্ড অস্বীকার করেনি; আন্দোলনে ছাত্র-জনতার গড়ে তোলা প্রতিরোধকেও অস্বীকার করেছে। লেখকের মতে, অন্য কিছু রাজনৈতিক অংশীজন হত্যাকাণ্ড স্বীকার করলেও মাঠের প্রতিরোধের সংগঠক ও এর নিউক্লিয়াসকে অস্বীকার করেছে। তিনি এই দুই ধরনের অবস্থানকেই ঘটমান সত্য অস্বীকারের রাজনীতি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
পারুলের ভাষ্য, আন্দোলনকে জঙ্গি, জামায়াত-শিবির-রাজাকারের চক্রান্ত বা তৃতীয় পক্ষের অনুপ্রবেশ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা হয়েছিল। ৫ আগস্টের পর ছাত্রশক্তি, ছাত্র সমন্বয়ক এবং অভ্যুত্থান থেকে উঠে আসা ছাত্র নেতৃত্বদের নানা অভিযোগে কলঙ্কিত করা হয় বলে তিনি দাবি করেন। তাঁর মতে, এ প্রক্রিয়ায় সম্ভাবনাময় রাজনৈতিক শক্তির গ্রহণযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দিলশানা পারুলের বিশ্লেষণে জুলাই অভ্যুত্থন ঘিরে অস্বীকার ও কলঙ্কিতকরণের রাজনীতি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।