প্রবাসে নির্যাতন ও প্রতারণার শিকার হয়ে দেশে ফেরা বাংলাদেশি নারী শ্রমিকরা আবারও সামাজিক, অর্থনৈতিক ও মানসিক সংকটে পড়ছেন বলে অভিযোগ করেছেন। তাদের ভাষ্য, স্বজন, প্রতিবেশী ও সমাজের সন্দেহ, কটূক্তি এবং দূরত্বের কারণে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা কঠিন হয়ে উঠেছে। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার এবং একটি নীতিমালা তৈরির কথা বললেও কতজন নারী শ্রমিক দেশে ফিরেছেন, তার কোনো তালিকা মন্ত্রণালয়ের কাছে নেই।
নরসিংদীর রনি বেগম, সাতক্ষীরার সুমি বেগম ও সুনামগঞ্জের তাহিরুন্নেসা সৌদি আরবে কাজ করতে গিয়ে নির্যাতন, প্রতারণা, বেতন না পাওয়া ও বন্দিত্বের অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন। দেশে ফিরে তারা ঋণ, পারিবারিক দায় এবং সামাজিক অবিশ্বাসের মুখে পড়েছেন। ‘প্রত্যাগত অভিবাসীকর্মী পুনঃএকত্রীকরণ নীতি, ২০২৫’-এ প্রত্যাগত কর্মীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অধিকার, জেন্ডার সমতা এবং নারী কর্মীদের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব দূর করার কথা বলা হয়েছে।
বিএমইটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১০ অক্টোবর পর্যন্ত ১ লাখ ৭২ হাজার ২০৮ জন নারী বিদেশে গেছেন; এর মধ্যে সৌদি আরবে গেছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ২৮ জন। অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর কাউন্সেলিং, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা, পারিবারিক সচেতনতা ও নীতিমালার সমন্বিত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন। মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ডিসেম্বরের মধ্যে জীবিকা উন্নয়নের উদ্যোগের কথা বলেছেন।
বিদেশফেরত নারী শ্রমিকদের অভিযোগ, দেশে ফিরেও মিলছে না মর্যাদা ও পুনর্বাসন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।