বিএনপি সরকার যখন প্রথম জাতীয় বাজেট পেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন বাংলাদেশের বিমান চলাচল ও পর্যটন খাত নামমাত্র বরাদ্দের বাইরে গিয়ে দীর্ঘদিনের অনুপস্থিত একটি সুসংহত নীতি কাঠামোর দাবি জানাচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই কাঠামো দুটি কৌশলগত খাতকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তিতে রূপান্তরিত করতে পারে।
বিমান খাতের নেতারা জেট ফুয়েল, বিমান লিজ ও পরিচালনার ওপর করছাড় এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের কার্যক্রম শুরুতে বাজেটীয় সহায়তা চাইছেন। অন্যদিকে পর্যটন উদ্যোক্তারা জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনার বাস্তবায়ন, বিনিয়োগ প্রণোদনা, প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা এবং বিদেশি পর্যটকদের জন্য ই-ভিসা চালুর আহ্বান জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের বাস্তবায়ন অঙ্গীকারের একটি পরীক্ষা হবে। তারা বলছেন, বরাদ্দের পরিমাণ নয়, বরং বাজেটটি দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় নীতিগত সংকেত দিতে পারে কি না, সেটিই হবে মূল মূল্যায়ন।
বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেটের আগে নীতিগত সংস্কার চায় বিমান ও পর্যটন খাত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।