ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর পদত্যাগের চাপ বাড়িয়েছেন তাঁর বিরোধীরা। ৪ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে উয়েফার কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, ইনফান্তিনো পদে থাকলে তাঁরা ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সঙ্গে কোনো ধরনের সহযোগিতা করবেন না। বিশ্বকাপসহ ফিফার বড় টুর্নামেন্টের কিছু শেয়ার বিক্রির পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করেই তাদের ক্ষোভ বেড়েছে, যদিও পরিকল্পনাটি শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে।
অসহযোগিতা কীভাবে বাস্তবায়িত হবে, তা স্পষ্ট নয়; তবে বিরোধীরা অন্তত ফিফার বৈঠক বয়কট করতে জোর দিচ্ছেন। উয়েফা ওই প্রস্তাব নিয়ে আইনি পদক্ষেপের হুমকি দেওয়ার পর বিরোধিতা আরও সক্রিয় হয়েছে। ওয়েলস ইনফান্তিনোর চতুর্থ মেয়াদের প্রার্থিতার প্রকাশ্য সমর্থন প্রত্যাহার করেছে এবং ইংল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনও একই পথে যেতে পারে। স্কটিশ এফএ-র অবস্থানও উয়েফার মতো বলে বিভিন্ন সূত্র বিবিসি স্পোর্টসকে জানিয়েছে।
ইনফান্তিনো ২০২৮ সালের মার্চে শেষবারের মতো পুনর্নির্বাচনের লড়াই করবেন; জিততে তাঁর ২১১ সদস্য দেশের মধ্যে ১০৬ ভোট দরকার। সার্বিয়া, সুইডেন ও ফিনল্যান্ড সমর্থন তুলে নিলেও মরক্কো, কাতার, লেবানন, কুয়েত ও শ্রীলঙ্কা তাঁর নেতৃত্বের পক্ষে। ফিফা কাউন্সিলের ৩৭ সদস্যের ১৯ জন জরুরি বৈঠক চাইলে দুই সপ্তাহের মধ্যে বৈঠক ডেকে তাঁকে পদত্যাগে বাধ্য করার চেষ্টা করা যেতে পারে।
পদত্যাগ না করলে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ফিফার সঙ্গে অসহযোগিতার হুমকি বিরোধীদের
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।