গাজা সিটির বাস্তুচ্যুত আবদেল আল পরিবারের দুই ছেলে ওসমান ও সামি ২৯ জুন ২০২৫ সকালে বেরিয়ে আর ফেরেনি। বর্তমানে ১৭ বছর বয়সী ওসমান ও ১৩ বছরের সামি মধ্য গাজার তথাকথিত নেতজারিম করিডরের কাছে একটি ত্রাণ বিতরণকেন্দ্রে যাওয়ার কথা বলেছিল। তাদের মা ৩৬ বছর বয়সী আশজান আবদেল আল এবং বাবা ৪১ বছর বয়সী রাফাত এক বছরের বেশি সময় ধরে ছেলেদের ভাগ্য সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্যের অপেক্ষায় আছেন।
রাফাত হাসপাতাল, আশ্রয়কেন্দ্র ও আত্মীয়দের কাছে খোঁজ করেও কোনো সন্ধান পাননি। শুজাইয়ায় চারটি মরদেহের খবর এবং আল-আহলি আরব হাসপাতালে একটি অজ্ঞাত মরদেহের ছবি পরিবারকে সম্ভাব্য সূত্র দিলেও, কোনোটিই ছেলেদের পরিচয় নিশ্চিত করেনি। মে মাসে এক কথিত আইনজীবীর মাধ্যমে তারা শুনেছিলেন দুই ছেলে ইসরায়েলি কারাগারে জীবিত আছে, কিন্তু তথ্যটি কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি এবং ওই আইনজীবীর সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগ করা যায়নি।
গাজার সরকারি মিডিয়া অফিসের হিসাবে, ভূখণ্ডজুড়ে প্রায় ১১,২০০ মানুষ এখনো নিখোঁজ। ফিলিস্তিনি সেন্টার ফর মিসিং অ্যান্ড ফোর্সিবলি ডিসঅ্যাপিয়ার্ড পারসনস বলেছে, একাধিক ও অনির্ভরযোগ্য উৎসের কারণে এসব ঘটনা নথিভুক্ত করা কঠিন। আইসিআরসি জানিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি আটককেন্দ্রে তাদের প্রবেশাধিকার নেই; ফলে আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে পরিবারকে নিশ্চিত তথ্য দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
গাজায় নিখোঁজ দুই ছেলের খোঁজে অনিশ্চয়তা ও তথ্যের অপেক্ষায় একটি পরিবার
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।