দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ করেছে, যা বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল সরবরাহের পথ। ইসরাইল ও উপসাগরীয় জ্বালানি স্থাপনায় ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর এই পদক্ষেপে বীমার হার বেড়েছে এবং অধিকাংশ জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়েছে, ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য স্থবির হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) প্রণালিটিকে মাইনফিল্ডে পরিণত করতে পারে। তাদের হাতে পাঁচ থেকে ছয় হাজার নৌমাইন রয়েছে, যা কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পথটি বন্ধ করতে সক্ষম। যুক্তরাষ্ট্রের মাইন অপসারণ সক্ষমতা সীমিত, কারণ তাদের বহর মূলত উপকূলীয় যুদ্ধজাহাজ ও হেলিকপ্টারের ওপর নির্ভরশীল। ছয়টি পশ্চিমা দেশ সহায়তার ঘোষণা দিলেও তা অনিশ্চিত রয়ে গেছে।
প্রতিবেদনটি সতর্ক করেছে যে, মাইন অপসারণ দীর্ঘ ও ঝুঁকিপূর্ণ হলে বৈশ্বিক তেলবাজার অস্থির থাকবে, বীমা প্রিমিয়াম বাড়বে এবং তেলবাহী জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যেতে পারে, যা বিশ্ব অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করতে পারে।
হরমুজে ইরানের মাইন স্থাপন বিশ্ব তেল বাণিজ্যে অস্থিরতা ও আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়াচ্ছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।