প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) শনিবারের যন্তর মন্তর বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দিল্লিজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা জারি করা হয়েছে। রাজধানীতে ৪০ হাজারের বেশি পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন এলাকা থেকে ইতোমধ্যে এক হাজারের বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ বিভিন্ন হোটেল, গেস্ট হাউস ও হোস্টেলে কমবয়সিদের খোঁজ করছে এবং কেউ যন্তর মন্তরের কর্মসূচিতে যোগ দিতে এসেছেন বলে সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসাবাদ বাড়ানো হচ্ছে। একাধিক মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থানপথ বন্ধ রাখা হয়েছে এবং মধ্য দিল্লির বিস্তীর্ণ এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ব্যারিকেড বসানো হয়েছে; প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীদের যন্তর মন্তরে পৌঁছাতে বাধা দেওয়াই প্রশাসনের লক্ষ্য।
শনিবার ভোর ৪টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ৪৫টি মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থানপথ বন্ধ থাকবে। একই সময়ে নয়াদিল্লি ও হজরত নিজামুদ্দিন স্টেশনে পৌঁছানোর কথা থাকা ২৫৪টির বেশি লোকাল ও অন্য রাজ্যের ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। জনপথ ও কর্তব্য পথের সংযোগস্থল থেকে চার কিলোমিটার ব্যাসার্ধে শুক্রবার রাত ১০টা থেকে ২৪ ঘণ্টার জন্য ইন্টারনেট নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে। সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ বলেছেন, বিধিনিষেধ সত্ত্বেও সমর্থকেরা কর্মসূচিতে যোগ দেবেন।
সিজেপির যন্তর মন্তর বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে কড়া নিরাপত্তা ও যাতায়াত বিধিনিষেধ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।