সাউথ এশিয়া মনিটরে ২৮ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে আফগানিস্তানের ওয়াখান করিডরকে চীনের বাণিজ্য ও কৌশলগত সম্প্রসারণের সম্ভাব্য নতুন সীমান্ত হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। আফগানিস্তানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দীর্ঘ ও সরু পাহাড়ি এই ভূখণ্ডের আয়তন প্রায় ৫,১৭৫ বর্গকিলোমিটার। এর উত্তরে তাজিকিস্তান, দক্ষিণে পাকিস্তান এবং পূর্ব প্রান্তে চীন। উনিশ শতকে ব্রিটিশ-রুশ সাম্রাজ্যবাদী প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যে এটি বাফার জোন হিসেবে গঠিত হয়েছিল।
আধুনিক সীমান্ত তৈরির আগে ওয়াখি, কিরগিজ ও তাজিক জনগোষ্ঠীর বাণিজ্য, পশুপালন, মৌসুমি অভিবাসন ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ মধ্য এশিয়া জুড়ে বিস্তৃত ছিল। নতুন সীমারেখা এসব ঐতিহ্যগত পথকে বিভক্ত করে দেয়। বিশেষ করে কিরগিজ পশুপালকদের মৌসুমি চারণভূমিতে যাতায়াত এবং ওয়াখিদের কৃষি ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ সংকুচিত হয়। লেখক এসব বিচ্ছিন্ন জনগোষ্ঠীকে রূপকভাবে ‘ভূতুড়ে সম্প্রদায়’ বলেছেন।
বিশ্লেষণ অনুযায়ী, চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ ওয়াখানের গুরুত্ব আবার বাড়িয়েছে। সম্ভাব্য যোগাযোগপথ চীনকে আফগানিস্তান ও পাকিস্তান হয়ে আরব সাগরের দিকে স্থলপথ দিতে পারে এবং মধ্য এশিয়ায় তার অর্থনৈতিক প্রভাব জোরদার করতে পারে। তবে পূর্ণাঙ্গ পথ নির্মাণ, অবকাঠামোর পরিধি ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর প্রভাব এখনো নিশ্চিত নয়।
বিশ্লেষণে ওয়াখান করিডরকে চীনের বাণিজ্য ও কৌশলগত বিস্তারের সম্ভাব্য পথ বলা হয়েছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।