প্রবন্ধে তাজিয়া মিছিলের ঐতিহাসিক বিবর্তন তুলে ধরা হয়েছে, যা ৬১ হিজরিতে কারবালার প্রান্তরে ইমাম হোসাইন (রা.)-এর শাহাদতের স্মরণে শুরু হয়। প্রথমে এটি ছিল সীমিত পরিসরের শোকসভা ও দোয়া অনুষ্ঠান, যা পরবর্তীতে বুয়াইহি ও সাফাভি শাসনামলে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বৃহৎ আনুষ্ঠানিকতায় রূপ নেয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ইরাক, ইরান, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন মুসলিম দেশে আশুরা পালনের ভিন্ন ভিন্ন সাংস্কৃতিক রূপ গড়ে ওঠে।
বাংলাদেশে তাজিয়া মিছিলের মূল কেন্দ্র পুরান ঢাকার ঐতিহাসিক হোসাইনী দালান, যা ১৬৪২ সালে মোগল সুবেদার শাহ সুজার আমলে নির্মিত হয়। এখান থেকে বের হওয়া প্রধান মিছিলে রুপার তাজিয়া, প্রতীকী ঘোড়া, আলম, বাদ্যযন্ত্র ও লাঠিখেলার আয়োজন থাকে। তবে ইসলামি গবেষকদের একাংশের মতে, এসব প্রতিকৃতি ও বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার শরিয়তের মূলধারার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
প্রবন্ধে বলা হয়েছে, সময়ের সঙ্গে তাজিয়া মিছিলের জৌলুস কিছুটা কমলেও এটি এখনো ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির জীবন্ত প্রতীক হিসেবে টিকে আছে।
তাজিয়া মিছিল মুসলিম সমাজে শতাব্দীজুড়ে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বিবর্তনের প্রতিচ্ছবি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।