একটি মতামতধর্মী নিবন্ধে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কথিত অঘোষিত ইশতেহার এবং শেখ হাসিনা ও তাঁর দল ক্ষমা চেয়েছে বা রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কি না, সেই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। লেখক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত হাসিনার ডিসেম্বরে ভারত থেকে দেশে ফেরার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে দলের অতীত শাসন নিয়ে তীব্র সমালোচনামূলক অবস্থান তুলে ধরেছেন।
নিবন্ধে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান দুর্বল করা, অধিকার হরণ, দুর্নীতি ও সহিংসতার অভিযোগ আনা হয়েছে। লেখকের ভাষ্যে, ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে দলটি ক্ষমতা থেকে বিদায় হয়েছে এবং অগণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের কারণে দলটিকে গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে জায়গা না দেওয়ার বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য রয়েছে। আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার অধিকার সমর্থনকারীদের অবস্থান নিয়েও নিবন্ধে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
লেখক দলের সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ কর্মসূচি হিসেবে একটি কাল্পনিক ও ব্যঙ্গাত্মক ইশতেহারের খসড়া উপস্থাপন করেছেন। সেখানে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন, বিরোধীদের শাস্তি, হাসিনা ও দলের প্রতি আনুগত্যকে অগ্রাধিকার, কর্মকর্তাদের দায়মুক্তি এবং ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে পররাষ্ট্রনীতির প্রধান এজেন্ডা করার কথা রয়েছে। নিবন্ধে বলা হয়েছে, এআই অতীতের প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতার ফারাক শনাক্ত করলেও দলের ভবিষ্যৎ উদ্দেশ্য নির্ধারণ করতে পারেনি।
মতামত নিবন্ধে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য রাজনৈতিক এজেন্ডা ও রাজনীতিতে ফেরার প্রশ্ন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।