বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি বা সিপা স্বাক্ষরকে স্বাগত জানিয়েছেন এফবিসিসিআই প্রশাসক মো. ফজলুল হক। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, এ চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়বে এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। দ্রুত ও সফলভাবে চুক্তিটি সম্পাদনের জন্য তিনি বাণিজ্যমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সবাইকে অভিনন্দন জানান।
এফবিসিসিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও কোরিয়ার দ্বিপক্ষীয় আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের পরিমাণ ১ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ কোরিয়া থেকে ৯০৩ মিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করে এবং ৪৯২ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করে। ফলে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি প্রায় ৪১১ মিলিয়ন ডলার।
চুক্তির ফলে বাংলাদেশের প্রায় ৯৭ শতাংশ পণ্য, অর্থাৎ ৮ হাজার ৪২৮টি পণ্য, কোরিয়ার বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশের সুযোগ পাবে বলে তিনি জানান। তৈরি পোশাকের পাশাপাশি চামড়াজাতপণ্য, জুতা, ওষুধ ও কৃষিপণ্যের রপ্তানি বাড়ার আশা করা হচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়া বছরে প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক আমদানি করে, যার মাত্র ৩ শতাংশ বাংলাদেশ থেকে যায়। এ অভিজ্ঞতা অন্য দেশের সঙ্গে বড় বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদনেও সহায়ক হতে পারে বলে মত দেন তিনি।
বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া সিপা চুক্তিতে বাণিজ্য ও শুল্কমুক্ত রপ্তানি বাড়ার আশা এফবিসিসিআইয়ের
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।