মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ২৫ আগস্ট ২০১৭ সালের দমন-পীড়নের নয় বছর পরও বাংলাদেশে আশ্রিত ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গার নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন অনিশ্চিত রয়েছে। কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি আশ্রয়শিবিরে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ইউএনএইচসিআরের সর্বশেষ হিসাবে বাংলাদেশে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের বাসিন্দার সংখ্যা ১২ লাখ ২ হাজার ৩৪ জন।
মিয়ানমারের জান্তা সাড়ে তিন লাখ রোহিঙ্গাকে ফেরত নেওয়ার কথা বললেও নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার এবং রোহিঙ্গা জাতিগত পরিচয়ের স্বীকৃতি ছাড়া শরণার্থীরা ফিরতে রাজি নন। ২০২৩ সালের শেষ দিকে জান্তানিয়ন্ত্রিত বাহিনী ও আরকান আর্মির সংঘাত শুরু হওয়ার পর ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত আরও দুই লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছে।
শিবিরে জন্মহার, শিক্ষাবঞ্চিত শিশু, অপরাধ ও নিরাপত্তাঝুঁকি পরিস্থিতিকে জটিল করেছে। তহবিল ঘাটতির কারণে ২০২৬ সালের যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনায় রেশন ও মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা কমাতে হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার বলছে, সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান মিয়ানমারে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসন; এ জন্য আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।
নয় বছরেও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন থেমে, শিবিরে বাড়ছে জনসংখ্যা ও সহায়তা সংকট
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।