১২ ফেব্রুয়ারির ভোটের পরপরই কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীর তীরে বিএনপির নাম ব্যবহার করে দখল শুরু হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোটের রাত থেকেই দখল প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং ইতোমধ্যে টিন দিয়ে ৫০টির বেশি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। নদী শাসন ও সংরক্ষণের দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) দখল বন্ধে জরুরি ব্যবস্থা নিতে ১৫টি দপ্তরে চিঠি পাঠিয়েছে।
কক্সবাজার নদী বন্দরের পোর্ট অফিসার মো. আব্দুল ওয়াকিল সরকার জানান, যাদের আগে উচ্ছেদ করা হয়েছিল তারাই আবার দখল কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কক্সবাজার শহর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শাফায়াত মুন্না বলেন, দখলদাররা বিএনপির ব্যানার-ফেস্টুন ব্যবহার করে অবৈধ স্থাপনা তৈরি করছিল, যা নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজলের নির্দেশে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
লুৎফুর রহমান কাজল দখলকারীদের পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই দখলের সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই। বিআইডব্লিউটিএ জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।
ভোটের পর বাঁকখালী নদীর তীরে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে দখল শুরু
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।