যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বাকি দুই বছর কেমন যাবে, তা অনেকটাই নির্ভর করছে আগামী মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলের ওপর। দেশজুড়ে হাজার হাজার পদে ভোট হলেও মূল রাজনৈতিক লড়াই প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে। বর্তমানে দুই কক্ষই রিপাবলিকানদের দখলে থাকলেও জরিপ, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসন এবং ভোটারদের অগ্রাধিকার ডেমোক্র্যাটদের কংগ্রেস পুনর্দখলের আশা জোগাচ্ছে।
সিলভার বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্পের জনসমর্থন দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতে ৫০ শতাংশের কিছু বেশি থাকলেও বর্তমানে প্রায় ৩৭ শতাংশে নেমেছে। প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানদের ২১৮টি আসন রয়েছে, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতার ন্যূনতম সীমা; সব ৪৩৫ আসনেই ভোট হবে। কুক পলিটিক্যাল রিপোর্ট ১৮টি হাড্ডাহাড্ডি হাউস আসনের কথা বলেছে, যার ১৪টিই রিপাবলিকানদের। সিনেটে রিপাবলিকানদের ৫৩টি আসন থাকায় ডেমোক্র্যাটদের সমীকরণ তুলনামূলক কঠিন।
জীবনযাত্রার ব্যয়, স্বাস্থ্যসেবা, অভিবাসন এবং ইরান যুদ্ধ ভোটারদের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। তহবিল ও বিজ্ঞাপন ব্যয়ে রিপাবলিকানরা এগিয়ে আছে; সেপ্টেম্বরে তারা ডেমোক্র্যাটদের চেয়ে প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার বেশি ব্যয় করেছে। কংগ্রেসের এক বা উভয় কক্ষ হারালে আইন, বাজেট ও নীতি বাস্তবায়নে ট্রাম্পের বাধা বাড়তে পারে এবং ডেমোক্র্যাটরা প্রশাসনের ওপর আরও কার্যকর নজরদারির সুযোগ পাবে।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল ট্রাম্পের শেষ দুই বছরের শাসনক্ষমতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।