মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় বিদেশি কর্মী নিয়োগে মালয়েশীয় নিয়োগদাতাদের জন্য আট ধাপের প্রক্রিয়া ও নিয়মকানুনের নির্দেশনা জারি করেছে। রবিবার জারি হওয়া এই নির্দেশনাকে বাংলাদেশ সরকার বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছে। তবে মঙ্গলবার পর্যন্ত কবে শ্রমবাজার উন্মুক্ত হবে, সে বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় বা কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশন কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পায়নি।
নির্দেশনা অনুযায়ী, নিয়োগদাতাকে প্রথমে কর্মীর চাহিদার অনুমোদন নিতে ও শূন্য পদের বিজ্ঞাপন দিতে হবে। এরপর ওয়ান-স্টপ সেন্টারে কোটা আবেদন, নথি যাচাই ও সাক্ষাৎকার, লেভি পরিশোধ, শর্তসাপেক্ষ অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে। পরে রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানো, ভিসা উইথ রেফারেন্স সংগ্রহ এবং মালয়েশিয়ায় প্রবেশের মাধ্যমে প্রক্রিয়া শেষ হবে।
মালয়েশিয়া আগে বাংলাদেশের ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সি ও ৪০টির বেশি মেডিকেল সেন্টারের তালিকা প্রকাশ করায় এজেন্সিগুলো ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বাংলাদেশ সরকার এ বিষয়ে জানতে চেয়ে মালয়েশিয়াকে চিঠি দিয়েছে। ২০২১ সালের সমঝোতা স্মারকটি ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে; ২০২৪ সালের জুনে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ বন্ধ হয়েছিল।
শ্রমবাজার খোলার অপেক্ষায় বিদেশি কর্মী নিয়োগে আট ধাপের নিয়ম দিল মালয়েশিয়া
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।