অবকাঠামো, জনবল ও অর্থায়নের পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ছাড়াই প্রতিষ্ঠিত নতুন নয়টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সচল করা বাংলাদেশের সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২৩ সালে অনুমোদিত আট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশে এখনো একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়নি। তবে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয় ১৮ জুলাই ভাড়া ভবনের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে ৮০ শিক্ষার্থী নিয়ে পাঠদান শুরু করেছে। সাত সরকারি কলেজ নিয়ে গঠিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিও চলতি বছর কার্যক্রম শুরু করেছে।
ইউজিসি সূত্রে দেশে বর্তমানে ৬২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, যার ৫৫টিতে একাডেমিক কার্যক্রম চালু। শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দায়বদ্ধতার কারণে বর্তমান সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করেনি এবং পর্যায়ক্রমে শিক্ষা বাজেটের বরাদ্দ বাড়িয়ে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবে। ইউজিসির সাম্প্রতিক উপাচার্য সংলাপে বিভিন্ন উপাচার্য বাজেট বৃদ্ধি ও বিশেষ উদ্যোগের আহ্বান জানান।
মেহেরপুর, বগুড়া, নারায়ণগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও ও লক্ষ্মীপুরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভাড়া ভবন, জমি অধিগ্রহণ, জনবল, অনুমোদন ও স্থায়ী ক্যাম্পাসের প্রস্তুতি নিয়ে এগোচ্ছে। শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম উপাচার্য নিয়োগের পর প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো উপাচার্য নিয়োগ হয়নি। সংশ্লিষ্টরা অবকাঠামো, শিক্ষক, গবেষণা ও আবাসনের সুবিধা দ্রুত নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলছেন।
অর্থ, অবকাঠামো ও জনবল সংকটে নতুন নয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সচল করার উদ্যোগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।