বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত ও বর্তমানে নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আগামী ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসকে কেন্দ্র করে রাজনীতিতে প্রতীকী প্রত্যাবর্তনের পরিকল্পনা করছে। দলটি দেশের ভেতরে ও বাইরে থেকে মধ্য ও তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সক্রিয় করার চেষ্টা চালাচ্ছে এবং সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে উপস্থিতি জানান দিতে চায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, নিষিদ্ধ দলের প্রকাশ্যে কার্যক্রম পরিচালনার কোনো সুযোগ নেই, আর সরকারপন্থী দলগুলোও এ বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লিসহ বিদেশে অবস্থানরত নেতারা স্থানীয় কার্যালয় পুনরায় খোলার উদ্যোগ নিচ্ছেন এবং সাংস্কৃতিক উইং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছে। গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, দলটি আবেগ ও গণমাধ্যমের সহানুভূতি কাজে লাগিয়ে জনমত পুনরুদ্ধারের কৌশল নিচ্ছে। অন্যদিকে সরকার এখনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেয়নি, যদিও নিরাপত্তা সংস্থাগুলো পরিস্থিতি সম্পর্কে সতর্ক করেছে।
আইনজ্ঞদের মতে, আদালত বা সরকারের অনুমোদন ছাড়া নিষিদ্ধ দল পুনরায় সক্রিয় করা আইনত অপরাধ এবং রাজনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ।
২৬ মার্চে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন পরিকল্পনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।