সাংবাদিক খাজা মাঈন উদ্দিনের লেখা ২২ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত নিবন্ধে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের সহিংস ঘটনাগুলো পুনরালোচিত হয়েছে। সরকারি চাকরিতে মেধাভিত্তিক নিয়োগের দাবিতে ছাত্রদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন দমন করতে পুলিশি বলপ্রয়োগ ও রাজনৈতিক বিভাজনের আশ্রয় নেওয়া হয় বলে লেখক উল্লেখ করেছেন। ১৬ জুলাই ২০২৪ তারিখে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদের গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর ঘটনাকে তিনি রাষ্ট্রীয় অন্যায়ের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেছেন।
নিবন্ধে বলা হয়, শাসক দলের নেতারা আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকার’ আখ্যা দিয়ে সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করেন। লেখক মনে করেন, কোটাব্যবস্থার সংস্কারের দাবি ছিল বেকারত্ব, দুর্নীতি ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্মের ন্যায্য প্রতিবাদ। তিনি নীরব বুদ্ধিজীবী ও নাগরিকদের নৈতিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এবং ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি সম্পর্কে সতর্ক করেন।
লেখার উপসংহারে বলা হয়, কোটাব্যবস্থা যতই মহৎ উদ্দেশ্যে তৈরি হোক না কেন, বাস্তবে এটি পক্ষপাত ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে, তবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে নতুন প্রজন্মের প্রতিবাদ থামানো সম্ভব নয়।
২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলন ও কোটাবিরোধী দাবিতে রাষ্ট্রীয় প্রতিক্রিয়া নিয়ে বিশ্লেষণ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।