দুই অর্থবছর ধরে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ না দেওয়ায় ইসলামী ব্যাংককে ‘এ’ থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের ২৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বোর্ড সভায় ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ব্যাংকটি ‘নো ডিভিডেন্ড’ ঘোষণা করে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নিয়ম অনুযায়ী এই অবনমন কার্যকর হয়েছে।
অবনমনের পর ব্রোকারেজ হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার ক্রয়ে মার্জিন লোন সুবিধা না দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিএসইসির মার্জিন লোন বিধিমালা ২০২৫ অনুসারে এই অনুরোধ করা হয়। বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়। অবনমনের পর ব্যাংকটির শেয়ারদর ৪ শতাংশেরও বেশি কমে ৩৪ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৩৩ টাকা ৩০ পয়সায় নেমে আসে।
২০২৫ সালের নিরীক্ষিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি মুনাফা ৮৫ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৪৪ টাকা ৫২ পয়সা, যা আগের বছরের তুলনায় সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে।
দুই বছর লভ্যাংশ না দেওয়ায় ইসলামী ব্যাংক ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে অবনমিত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।