তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের নতুন প্রতিরক্ষা জোটে আরও কয়েকটি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ানের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী জোটটি কেবল তিন দেশের মধ্যে সীমিত থাকবে না। গত শুক্রবার তিন দেশ ‘মক্কা জয়েন্ট ডিটারেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট’ নামে চুক্তিতে সই করে।
চুক্তি অনুযায়ী, জোটভুক্ত একটি দেশের ওপর হামলাকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। সম্ভাব্য পরবর্তী সদস্য হিসেবে মিসরের নাম সবচেয়ে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। ফিদান মিসরকে স্বাভাবিক অংশীদার বলে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন, কিছু কারিগরি বিষয় সমাধান হলে কায়রো জোটে যোগ দিতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক, ইসরাইলের সঙ্গে শান্তিচুক্তি এবং লিবিয়াসহ আঞ্চলিক বিষয়ে স্বাধীন সিদ্ধান্তের সুযোগ রাখতে মিসর সামরিক বাধ্যবাধকতার ক্ষেত্রে সতর্ক।
সম্ভাব্য সম্প্রসারণে কাতার ও কুয়েতের নামও গুরুত্ব পাচ্ছে। সাবেক কাতারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হামাদ বিন জাসিম আল থানি আশা করেছেন, সৌদি আরব ছাড়া অন্য জিসিসি সদস্যরাও যোগদানের উদ্যোগ নেবে। বিশ্লেষকেরা আজারবাইজান, সিরিয়া ও জর্ডানের সম্ভাবনার কথাও বলেছেন। তবে ভিন্ন স্বার্থ ও আঞ্চলিক বিরোধ জোটকে ঐক্যবদ্ধ সামরিক ব্লকে পরিণত করার পথে বাধা হতে পারে।
তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা জোটে মিসরসহ আরও দেশ যুক্ত হতে পারে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।