সৌদি প্রবাসী মোকাররম মিয়াকে হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার হেলেনা বেগম আদালতে দায় স্বীকার করেছেন। রাজধানীর মাণ্ডা এলাকায় পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় মোকাররমের সাত টুকরো লাশ উদ্ধার হয়। অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় হেলেনার মেয়ে হালিমা আক্তারকে গাজীপুরের কোনাবাড়ী কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন হেলেনার জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
তদন্তে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের তালশহরের বাসিন্দা ৩৮ বছর বয়সী মোকাররম ১৩ মে দেশে ফিরে তাসলিমা আক্তারের সঙ্গে দেখা করতে হেলেনার বাসায় যান। বিয়ে ও টাকার বিষয়ে বিরোধের জেরে হেলেনা, তাসলিমা ও হালিমা মিলে তাকে হত্যা করে এবং লাশ খণ্ড খণ্ড করে ফেলে দেয়।
পরে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ। র্যাবের অভিযানে হেলেনা ও হালিমাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাদের তথ্যের ভিত্তিতে লাশের মাথার অংশ উদ্ধার করা হয়। মামলাটি মুগদা থানায় তদন্তাধীন।
প্রবাসী মোকাররম হত্যায় হেলেনার স্বীকারোক্তি, কিশোরী মেয়ে হালিমা উন্নয়ন কেন্দ্রে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।