ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা কাঠামো বদলে যাওয়ায় পাকিস্তানের সঙ্গে একটি বড় প্রতিরক্ষা চুক্তির আলোচনায় নেমেছে কুয়েত। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের সামরিক সহায়তার বিনিময়ে জ্বালানি সহযোগিতা ও বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে কুয়েত। এক পাকিস্তানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কুয়েত হাজার হাজার পাকিস্তানি সেনা, যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করতে চায়। আলোচনাটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।
ইরানের পাল্টা হামলায় কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি শোধন কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশটিতে প্রায় ১৪ হাজার মার্কিন সেনা থাকলেও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে কুয়েত এখনো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে। পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা অংশীদার এবং ইরানের সঙ্গেও সুসম্পর্ক বজায় রেখেছে, যার ফলে তারা মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। তবে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি এখন হুমকির মুখে।
২০২৫ সালে সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তির পর কুয়েতের এই উদ্যোগ ইসলামাবাদের আঞ্চলিক ভূমিকা বাড়াচ্ছে। তবে কুয়েতের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ প্রতিরক্ষা চুক্তি পাকিস্তানের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, কারণ দেশটি সামরিকভাবে দুর্বল এবং প্রভাব সীমিত।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের মধ্যে পাকিস্তানের সামরিক সহায়তা চায় কুয়েত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।