জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন অভিযোগ করেছেন, সরকার ভালো আইন প্রণয়নের কথা বলে আগের মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ বাতিল করলেও নতুন খসড়ায় স্বাধীন তদন্তের ক্ষমতা সীমিত করেছে। ১৮ আগস্ট ঢাকার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে এনসিপির সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটির গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। তাঁর মতে, গুমের তদন্তের দায়িত্ব এমন বাহিনীর হাতে দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে, যাদের বিরুদ্ধেই গুমের অভিযোগ থাকতে পারে।
আখতার হোসেন বলেন, মিথ্যা অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযোগকারী পরিবারকে পাঁচ বছরের সাজা দেওয়ার বিধান ভুক্তভোগীদের ভয় দেখানোর সুযোগ তৈরি করবে। তিনি নাগরিকদের মতামত নিয়ে জবাবদিহিমূলক ও ন্যায্য ব্যবস্থা গড়ার আহ্বান জানান। শহীদুল আলম এনএইচআরসির স্বাধীন তদন্ত ক্ষমতা, কমিশনার বাছাইয়ের স্বাধীনতা এবং গুম আইনের দুর্বলতা সংশোধনের দাবি জানান।
অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, ড. শরীফ ভূঁইয়া, ব্যারিস্টার তানিম হোসেন শাওন ও অন্য বক্তারা বলেন, স্বাধীন প্রতিষ্ঠান ছাড়া সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনা সম্ভব নয়। ড. নাবিলা ইদ্রিসের মতে, সাম্প্রতিক আইনি পরিবর্তনগুলো নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে স্বাধীন তদন্তের ক্ষমতা খর্ব করছে; তাই তা বাতিল না করে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা ও পৃথক আইনি কাঠামো করা উচিত।
খসড়া মানবাধিকার ও গুম আইনের স্বাধীনতা ও জবাবদিহি নিয়ে এনসিপি বৈঠকে উদ্বেগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।