যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফা শান্তি আলোচনা অনিশ্চয়তায় পড়েছে। সোমবার হরমুজ প্রণালিতে তুসকা নামের একটি ইরানি কার্গো জাহাজ আটক করে যুক্তরাষ্ট্র, যার পরপরই ইরান মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ড্রোন হামলা চালায় এবং জানায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা কোনো শান্তি আলোচনায় বসবে না। ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিতব্য আলোচনাকে কেন্দ্র করে পাকিস্তান প্রায় ২০ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করেছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, ছয় ঘণ্টা সতর্কবার্তা উপেক্ষা করার পর জাহাজটি দখল করা হয়। ইরান ঘটনাটিকে জলদস্যুতা আখ্যা দিয়ে প্রতিশোধের হুমকি দিয়েছে। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জানিয়েছেন, ইরানি বন্দরে মার্কিন অবরোধই শান্তি আলোচনার প্রধান অন্তরায়। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরান চুক্তিতে স্বাক্ষর না করলে কঠোর পরিণতি ভোগ করবে। এই অনিশ্চয়তায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম সাত শতাংশের বেশি বেড়েছে।
ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয়েই পরস্পরবিরোধী বার্তা দিলেও, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও ইরানি কর্মকর্তা মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ আলোচনায় অংশ নিতে পারেন বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
ইরানি জাহাজ আটক ও হামলায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় অনিশ্চয়তা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।