হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় কুশিয়ারা নদীর তীব্র ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। নদীর অপর পাড়ে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নেও এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়ছে। ৫৭৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নদীর ডাইক নির্মাণ ও মেরামতের উদ্যোগ চললেও অতি ঝুঁকিপূর্ণ ফসলি জমি ও বসতভিটায় কার্যকর সুরক্ষা মিলছে না বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।
কৃষক আব্দুল কদ্দুছ বলেন, তাঁর তিন একর ফসলি জমির সবটাই নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। মূল ভাঙনকবলিত স্থানে জিও ব্যাগ ও বস্তা ফেলার অনুরোধ করা হলেও ঠিকাদাররা শুকনো জায়গায় বস্তা ফেলার কথা বলেছেন বলে তাঁর অভিযোগ। আরেক কৃষক আ. হাদী জানান, এলাকায় অন্তত ৫০০ পরিবারের বসতবাড়ি নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে। ইউপি সদস্য আকুল মিয়া অনিয়মের অভিযোগ তুলে দ্রুত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও কাজের স্বচ্ছতা চেয়েছেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ছায়েদুর রহমান বলেন, শেরপুর ব্রিজ থেকে দীঘলবাক, পাহাড়পুর, মার্কুলী হয়ে আজমিরীগঞ্জ পর্যন্ত ৫০০ কোটি টাকার প্রকল্পে কাজ চলছে। সব পয়েন্টে একসঙ্গে কাজ সম্ভব হয়নি, তবে কাজ শেষ হওয়া স্থানে ভাঙন রোধ করা গেছে বলে তিনি জানান। বাকি ভাঙনকবলিত এলাকাতেও পর্যায়ক্রমে কাজের পরিকল্পনা রয়েছে।
হবিগঞ্জে কুশিয়ারা ভাঙন ঠেকাতে জরুরি সুরক্ষা কাজের দাবি বাসিন্দাদের
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।