যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেস ও অঙ্গরাজ্যগুলোর আইনসভার নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণে স্বতন্ত্র ভোটাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। প্রায় ১১ কোটি ৭০ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিক নিজেদের রাজনৈতিকভাবে স্বতন্ত্র পরিচয় দেন। তাদের সমর্থন পেতে ডেমোক্রেটিক ও রিপাবলিকান—দুই প্রধান দলই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছে। পিউ রিসার্চ সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, ৪৪ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক নিজেকে স্বতন্ত্র বলেন; ডেমোক্র্যাট ২৯ শতাংশ এবং রিপাবলিকান ২৮ শতাংশ।
তবে স্বতন্ত্র পরিচয় দেওয়া বেশির ভাগ ভোটারের ঝোঁক দুই প্রধান দলের কোনো একটির দিকে থাকে। একেবারে দলনিরপেক্ষ ভোটার মোট ভোটারের মাত্র ৭ থেকে ১০ শতাংশ। মারিস্টের তথ্য অনুযায়ী, ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা থাকা স্বতন্ত্রদের ৫২ শতাংশ ডেমোক্র্যাটদের এবং ৩৯ শতাংশ রিপাবলিকানদের সমর্থন করছেন। ভোট দিতে ইচ্ছুক স্বতন্ত্রদের মধ্যে ট্রাম্পবিরোধী ভোট দেওয়ার প্রবণতা অন্যদের চেয়ে তিন গুণের বেশি; ২৮ শতাংশ পরিবর্তনের জন্য ভোট দেওয়ার কথা বলেছেন।
স্বতন্ত্র ও তৃতীয় দলের প্রার্থীরা নির্বাচনী কাঠামো এবং অর্থসংকটের বাধার মুখে রয়েছেন। বিশ্লেষকেরা নেব্রাস্কা ও মন্টানার সিনেট নির্বাচনে তাদের প্রভাবের সম্ভাবনা দেখছেন। স্বতন্ত্র কংগ্রেস প্রার্থীদের সহায়তায় ইন্ডিপেনডেন্ট লিডারশিপ কাউন্সিল এ পর্যন্ত ১ কোটি ডলারের বেশি সংগ্রহ করেছে।
২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে স্বতন্ত্র ভোটাররা গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারেন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।