ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর-আশুগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের ২০ কিলোমিটার নির্মাণকাজ আট বছরেও শেষ হয়নি। ২০১৭ সালে একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের পর ২০১৮ সালের ১ জুলাই কাজ শুরু হয়। তবে এতদিনে আংশিক কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ভারী বৃষ্টিতে সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় গর্ত ও খানাখন্দ তৈরি হয়ে জনদুর্ভোগ বেড়েছে। চলতি বছরের জুনে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আরও দুই বছর বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়ক বিভাগের তথ্যমতে, ভূমি অধিগ্রহণই এখন মূল বাধা। নবীনগরের কৃষ্ণনগর ও বীরগাঁও এবং আশুগঞ্জের লালপুর অংশে এখনো বাড়িঘর রয়েছে। ক্ষতিপূরণের টাকা না পাওয়ায় জমির মালিকেরা ঘর সরাচ্ছেন না। ৫৩ একর ১৭ দশমিক ৪৫ শতাংশ জমি অধিগ্রহণের কাজ ২০২২–২৩ অর্থবছরে শুরু হয়েছে, যার প্রাক্কলিত ব্যয় ২৯৬ কোটি ৬২ লাখ টাকা। তবে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে কয়েকটি মামলা থাকায় কাজের অগ্রগতি থমকে আছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান জানান, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা নিরসনে কার্যক্রম চলছে এবং দ্রুত সমাধানের আশা করা হচ্ছে।
ভূমি জটিলতায় আট বছরেও শেষ হয়নি নবীনগর-আশুগঞ্জ মহাসড়ক নির্মাণ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।