পাকিস্তান ও চীন দীর্ঘদিন অকার্যকর থাকা যৌথ সীমান্ত কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেছে। বুধবার ইসলামাবাদে কমিশনের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ইসলামাবাদ এই পদক্ষেপকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছে। দুই দেশের কর্মকর্তারা বলেন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, যৌথ জরিপ, সীমান্ত চিহ্ন রক্ষণাবেক্ষণ, বাণিজ্য ও আন্তঃসীমান্ত সংযোগে এটি আরও নিবিড় সমন্বয় গড়ে তুলবে।
২০১৩ সালে স্বাক্ষরিত পাকিস্তান-চীন সীমান্ত ব্যবস্থাপনা চুক্তির আওতায় কমিশনটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এর মাধ্যমে সীমান্তসংক্রান্ত বাস্তব সমস্যা এবং সীমান্ত এলাকায় অবকাঠামো ব্যবস্থাপনা নিয়ে নিয়মিত আলোচনার সুযোগ তৈরি হবে। খুনজেরাব সীমান্তপথ এবং চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর-সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য ও যোগাযোগও এর গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
নতুন কমিশনটি ১৯৬৩ সালের সিনো-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তির অধীনে গঠিত সীমান্ত নির্ধারণ কমিশন থেকে আলাদা। আগের কমিশনের কাজ ছিল সীমান্ত জরিপ, মানচিত্র প্রণয়ন ও সীমান্ত চিহ্ন স্থাপন, যা পরে সম্পন্ন হয়। ভারত নতুন কমিশনের বিরোধিতা করে এর আইনি ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছে। পাকিস্তান ও চীন একে বর্তমান সীমান্ত ব্যবস্থাপনার নিয়মিত প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো হিসেবে দেখছে।
সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় নিয়মিত সমন্বয়ের জন্য যৌথ কমিশন চালু করল পাকিস্তান ও চীন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।