চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে ফেরদৌস শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে এক শ্রমিকের মৃত্যুর পর পুরো ইয়ার্ডের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ২৩ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, দুর্ঘটনার তদন্তের কারণে পুরো ইয়ার্ড অচল হয়ে পড়ায় জাহাজভাঙা শিল্পে নতুন করে চরম সংকট তৈরির আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা।
মালিকপক্ষের দাবি, বিভিন্ন সরকারি তদন্তকারী সংস্থা মৌখিকভাবে পুরো ইয়ার্ডের কাজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে; তবে লিখিত নির্দেশটি কোন দপ্তর দিয়েছে তা স্পষ্ট নয়। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইয়ার্ডে থাকা অন্য জাহাজগুলোর পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিস্ফোরক পরিদপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরের ছাড়পত্রের মেয়াদ শেষ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। কাজ বন্ধ থাকলেও এসব মেয়াদ বাড়ানো সহজ নয়।
বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লিং অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি আমজাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত জাহাজে তদন্ত চলতে পারে, কিন্তু অন্য জাহাজের কাজ বন্ধের যৌক্তিকতা নেই। তিনি জানান, সীতাকুণ্ডে চালু ইয়ার্ডের সংখ্যা ১২৪ থেকে ৩৫-৩৮টিতে নেমেছে। মালিকপক্ষ বেতন পরিশোধ ও প্রতিদিন বাড়তে থাকা ব্যাংকঋণের সুদের চাপের কথাও বলেছে।
ফেরদৌস শিপইয়ার্ড বন্ধে সীতাকুণ্ডের জাহাজভাঙা খাতে আর্থিক চাপ ও সংকটের আশঙ্কা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।