আওয়ামী লীগ আমলে ভারতের জন্য বাংলাদেশের বন্দর, নৌপথ ও স্থলপথ ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করা তিনটি চুক্তি এখনো বহাল রয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। চুক্তিগুলো হলো চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারবিষয়ক চুক্তি, কোস্টাল শিপিং অ্যাগ্রিমেন্ট এবং প্রটোকল অন ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রানজিট অ্যান্ড ট্রেড। প্রতিবেদনে উদ্ধৃত সমালোচকেরা এসব ব্যবস্থাকে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেছেন।
কোস্টাল শিপিং অ্যাগ্রিমেন্টের আওতায় চট্টগ্রাম, মোংলা, পায়রা ও পানগাঁওকে উপকূলীয় বন্দর হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়। বন্দর ব্যবহারবিষয়ক চুক্তির মাধ্যমে ভারত বাংলাদেশের নৌসীমা ও স্থলভাগ ব্যবহার করে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে পণ্য পরিবহন করতে পারে। নৌ ট্রানজিট প্রটোকলে ভারতীয় জাহাজ চলাচলের নির্ধারিত রুটগুলোর নাব্য রক্ষার দায়িত্ব বাংলাদেশের ওপর পড়ে এবং এটি প্রতি পাঁচ বছর পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবায়নের বিধান রাখে।
চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারে সমঝোতা স্মারক সই হয় ৬ জুন ২০১৫ সালে। ২৫ অক্টোবর ২০১৮ সালে বন্দর ব্যবহার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং ২০১৯ সালে বাস্তবায়ন পদ্ধতি নির্ধারণে এসওপি সই হয়। ২০২০ সালে পরীক্ষামূলক কনটেইনার চালান পাঠানো হয়। রাজনীতি বিশ্লেষক দিলারা চৌধুরী চুক্তিগুলো প্রকাশ্যে এনে সংসদে আলোচনা ও পুনর্মূল্যায়নের আহ্বান জানিয়েছেন।
পুনর্মূল্যায়নের দাবি থাকলেও ভারতকে দেওয়া তিন ট্রানজিট চুক্তি এখনো বহাল
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।