আয়োজকেরা জানিয়েছেন, শনিবার জার্মানিজুড়ে জেন-জি বিক্ষোভে ১ লাখ ৬০ হাজারের বেশি মানুষ অংশ নিতে পারেন। ‘জেন-জেড রেগেল্ট’ সংগঠনের উদ্যোগে বার্লিন, ফ্রাংকফুর্ট ও মিউনিখসহ ৩৪টি শহরে কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে। উন্নত শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি, জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগের বিরোধিতায় হ্যালোইনের দিন এ বিক্ষোভ হবে।
আয়োজকদের দাবি, মূল্যস্ফীতি ও বাড়তি ব্যয়ের কারণে জার্মানির বহু তরুণ কঠিন পরিস্থিতিতে পড়েছেন। মিউনিখের সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা থাকা ১৮ বছর বয়সি স্টিভ বলেন, তরুণদের উদ্বেগে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি; বরং ব্যয় সংকোচন চালিয়ে তাদের ওপর আরও বোঝা চাপিয়েছে। তিনি বলেন, উপেক্ষা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত বিক্ষোভকারীরা সংবিধানপ্রদত্ত সমাবেশের অধিকার প্রয়োগ করবেন।
কর্তৃপক্ষের ধারণা, বিক্ষোভ মূলত শান্তিপূর্ণ থাকবে, তবে উগ্রপন্থি গোষ্ঠী আন্দোলনকে কাজে লাগাতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। বার্লিনের কুরফুরস্টেনডাম বুলেভার্ডের কিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান জানালা-দরজা সুরক্ষিত করেছে বা আগেভাগে বন্ধের পরিকল্পনা করেছে। জাতীয় স্কুল শিক্ষার্থী সংগঠন বিএসকে আন্দোলন থেকে সরে গিয়ে ২০ নভেম্বর পৃথক বিক্ষোভের পরিকল্পনা করেছে।
শিক্ষা ও জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর দাবিতে জার্মানির ৩৪ শহরে জেন-জি বিক্ষোভের প্রস্তুতি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।