ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় সমুদ্রগামী জেলে ও ভিজিডি কর্মসূচির আওতায় বরাদ্দকৃত প্রায় ৩৪০ টন সরকারি চাল পরিবহন ব্যয়ের সংকটে এখনো বিতরণ করা যায়নি। ডেলিভারি অর্ডার ইস্যু হওয়ার পরও নির্ধারিত সময় পেরিয়ে এসব চাল উপজেলা খাদ্যগুদামে পড়ে আছে। এর মধ্যে রয়েছে মেয়াদোত্তীর্ণ ও নতুন বরাদ্দের চাল, যা সরকারি খাদ্য সহায়তা কার্যক্রমের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ইউনিয়নের বরাদ্দকৃত চাল নির্ধারিত সময়ে উত্তোলন না করায় গুদামে বিপুল পরিমাণ চাল জমে আছে। উপকারভোগীরা অভিযোগ করেছেন, সরকারি কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও তারা এখনো চাল পাননি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বলেছেন, সরকার টনপ্রতি ৪৮০ টাকা পরিবহন খরচ দিলেও বাস্তবে ব্যয় অনেক বেশি হওয়ায় চাল উত্তোলন সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করেছেন।
স্থানীয় সচেতন মহল সতর্ক করেছে যে, দ্রুত সমাধান না হলে খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি নতুন খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও সংগ্রহ কার্যক্রমও জটিলতায় পড়তে পারে।
পরিবহন ব্যয়ের ঘাটতিতে ভোলায় ৩৪০ টন সরকারি চাল বিতরণ আটকে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।