যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন টানাপোড়েনের মধ্যে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা নিয়ে ইউক্রেনের উদ্বেগ বেড়েছে। শান্তি আলোচনায় ব্যর্থতার অভিযোগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিয়েভের অভিযোগ, ওয়াশিংটন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সহায়তা দিতে বিলম্ব করছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন ২০২৫ সালের শুরুতে ইউক্রেনের জন্য নতুন সহায়তা প্যাকেজ বন্ধ করে দেয়, যদিও বাইডেন প্রশাসনের সময়ে কেনা কিছু অস্ত্র এখনো পৌঁছাচ্ছে।
ইউক্রেন ইউরোপীয় অংশীদারদের ওপর নির্ভরতা বাড়িয়েছে এবং নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্প সম্প্রসারণ করছে। কিয়েল ইনস্টিটিউটের হিসাবে, ২০২২ সালে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্র অন্তত ১৩১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা দিয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যদেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলো দিয়েছে অন্তত ২২৮ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। তবে প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা, গোয়েন্দা তথ্য, ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কীকরণ প্রযুক্তি ও স্টারশিল্ডের বিকল্প ইউরোপের হাতে সহজে নেই।
জেলেনস্কি জানান, গত সপ্তাহে ইউক্রেনের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত শেষ হয়ে যায়, ফলে ব্যালিস্টিক হামলা ঠেকানো কঠিন হয়েছে। তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় আবার চালু হয়েছে। শনিবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় স্টারশিল্ডে পূর্ণ প্রবেশাধিকার ফেরার কথা জানালেও সেবার কার্যকারিতা নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। বিশ্লেষকেরা সতর্ক করেছেন, নতুন বিধিনিষেধ ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ও বেসামরিক নিরাপত্তাকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
ইউরোপীয় সহায়তা বাড়লেও আকাশ প্রতিরক্ষা ও গোয়েন্দা সক্ষমতায় যুক্তরাষ্ট্রনির্ভর ইউক্রেন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।