একজন কবি ও রাষ্ট্রচিন্তক তাঁর রাজনৈতিক ভাষ্যে বলেছেন, অপছন্দের বা বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি একই পথে চললেও বাংলাদেশকে রাষ্ট্রসংস্কারের পথ থেকে সরে আসা উচিত নয়। নিরাপদ গন্তব্যের পথে শত্রু বা প্রতিদ্বন্দ্বীও যাত্রা করলে পথ বদলানো যুক্তিসংগত নয়—চারটি রাস্তার উপমা দিয়ে লেখক এই যুক্তি তুলে ধরেছেন।
লেখাটিতে বলা হয়েছে, ‘চব্বিশের বিপ্লবের’ মধ্য দিয়ে বৈষম্যমুক্ত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে। সেই আকাঙ্ক্ষার মধ্যে চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেটমুক্ত নগরজীবন, এক বা দুই পরিবারের হাতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কুক্ষিগত না থাকা, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃত্বে মেধার মূল্যায়ন রয়েছে। লেখকের মতে, এসব লক্ষ্য বাস্তবায়নে রাষ্ট্রসংস্কারের পথই সঠিক পথ।
জামায়াতে ইসলামী বা এনসিপি একই সংস্কারপথে থাকলে তাদের কারণে পথ পরিবর্তন না করার কথা বলা হয়েছে। তবে গন্তব্যে পৌঁছে তারা চাঁদাবাজি, অনৈতিক প্রশাসন, দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতে মূল্যায়ন বা বাংলাদেশের বহুত্ববাদী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অস্বীকার করলে নতুন করে আন্দোলন ও সংগ্রামের প্রয়োজন হবে বলে লেখক উল্লেখ করেছেন। চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত প্রজন্মের পর প্রজন্ম সঠিক পথে যাত্রা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
কোন দল সংস্কারপথে এল তা না দেখে রাষ্ট্রসংস্কারের যাত্রা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।