ঢাকা ওয়াসার অধীনে পদ্মা (জশলদিয়া) পানি শোধনাগার ও রামপুরা-কমলাপুর পাম্পিং স্টেশনসহ একাধিক বড় প্রকল্পে অনিয়ম, দুর্নীতি ও নিম্নমানের কাজের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নথিতে দেখা গেছে, প্রকৌশলগত ত্রুটি, অতিরিক্ত ব্যয় ও ব্যক্তিগত সম্পদ অর্জনের তথ্য রয়েছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন সাবেক এমডি তাকসিম এ খান ও প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করা হলেও তা তাদের ক্ষমতার সময় চাপা পড়ে।
৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকার পদ্মা-জশলদিয়া প্রকল্পে প্রতিদিন ৪৫ কোটি লিটার পানি সরবরাহের কথা থাকলেও বর্তমানে আসে মাত্র ২৩ কোটি লিটার। দুদকের নথিতে বলা হয়েছে, সীমাহীন দুর্নীতির কারণে পদ্মা ও ৪০০ কোটি টাকার রামপুরা-কমলাপুর প্রকল্প দুটি ব্যর্থ হয়েছে। বুয়েটের বিশেষজ্ঞ মতামতে নিম্নমানের কে-৯ শ্রেণির পাইপ ব্যবহারের বিষয়টি প্রকল্পের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
ওয়াসার মোট ঋণ প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে এবং পানি মূল্য ১৬ বার বাড়ানো হয়েছে। তবুও রাজধানীর অনেক এলাকায় পানির মান ও সরবরাহ নিয়ে নাগরিক অভিযোগ অব্যাহত রয়েছে।
ঢাকা ওয়াসার প্রকল্পে বড় দুর্নীতির অভিযোগ, দুদকের তদন্ত স্থবির
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।