ইরানে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের ফলে সৃষ্ট বৈশ্বিক তেল সংকটের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। ঢাকার সদরঘাটে লঞ্চমালিকরা জানিয়েছেন, প্রতিদিন প্রয়োজনীয় ২.৫ থেকে ৩ লাখ লিটার তেলের বিপরীতে তারা মাত্র ৫০ থেকে ৬০ হাজার লিটার পাচ্ছেন। ফলে দূরপাল্লার লঞ্চ চলাচল কমে গেছে এবং ঈদে লঞ্চ চলাচল বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল সংস্থা জানিয়েছে, স্বাভাবিক চলাচল বজায় রাখতে তারা সরকারের কাছে লিখিত আবেদন করেছে।
বাংলাদেশ রিভার ফুয়েল ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, ফতুল্লার মেঘনা ও যমুনা পেট্রোলিয়াম ডিপো থেকে ৬০–৭০ শতাংশ কম তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। মেঘনা পেট্রোলিয়ামের কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন, সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী এজেন্টদের মাধ্যমে তেল সরবরাহ বন্ধ থাকায় সংকট তৈরি হয়েছে।
নৌ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তেল সরবরাহ কমে যাওয়া বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে এবং উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে। ঈদ উপলক্ষে সদরঘাটে ৬০টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও বসিলা ও কাঞ্চন-শিমুলিয়াঘাট থেকে নতুন লঞ্চ সার্ভিস চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
ঈদে সদরঘাটে লঞ্চ চলাচলে তেল সংকটের প্রভাব
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।