কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনা, পর্যাপ্ত জনবল বা নিরাপত্তা প্রটোকল ছাড়াই জুলাই স্মৃতি জাদুঘর চালু করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ৯ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, এ পরিস্থিতিতে শহীদদের স্মৃতিচিহ্ন, ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম ও স্পর্শকাতর স্থাপনাগুলো ক্ষতির ঝুঁকিতে রয়েছে। সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী স্টাফ নিয়োগ ও নিরাপত্তা মহড়া ছাড়া জাদুঘর খোলার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।
জাদুঘর প্রস্তুতির সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তি জানান, পেশাদার ব্যবস্থাপনা কমিটি না থাকায় গবেষকদেরও শ্রমিক ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজ করতে হচ্ছে। কাচে রাখা স্মারক ভাঙছে এবং দর্শনার্থীদের স্পর্শে ছবি, টিভি ও ট্যাব ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। শহীদ ইব্রাহিমের সাইকেলসহ বড় স্মারকগুলো কেবল লোহার শেকলে ঘেরা এবং প্রবেশপথ থেকে হল পর্যন্ত কার্যকর নজরদারির অভাব রয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, জাদুঘর থেকে সীমান্ত হত্যা ও মোদিবিরোধী আন্দোলনসংক্রান্ত স্মৃতি সরানো হয়েছে। তিনি বর্ডার কিলিং রুম, ফেলানীর ভাস্কর্য এবং লংমার্চ টু ঢাকা কর্মসূচির অংশ বাদ দেওয়ার কথা বলেন। তাঁর মতে, প্রায় ২০০ জন জনবল প্রয়োজন হলেও বর্তমানে ১৫ থেকে ২০ জন কাজ করছেন এবং স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে কার্যক্রম চলছে।
জনবল ও নিরাপত্তা প্রটোকলের অভাবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের স্মারক ঝুঁকিতে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।