শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ও জনবলের তীব্র সংকটে রোগীরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম থাকা সত্ত্বেও ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসক না থাকায় সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ২১টি চিকিৎসক পদের মধ্যে মাত্র ছয়জন কর্মরত, যার মধ্যে দুজন প্রেষণে থাকায় কার্যত চারজন চিকিৎসক দিয়ে পুরো হাসপাতাল পরিচালিত হচ্ছে। মোট ১৬৩টি পদের মধ্যে ৮৮টি শূন্য থাকায় মাত্র ৭১ জন কর্মচারী দিয়ে হাসপাতালটি চলছে।
এই হাসপাতালটি উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার প্রায় তিন লাখ মানুষ এবং পার্শ্ববর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলার রোগীদের একমাত্র ভরসা। প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৩৫০ জন রোগী বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন, যা সামাল দিতে চিকিৎসকদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। অ্যানেস্থেসিয়া, সার্জারি, গাইনি ও মেডিসিন বিভাগে কোনো চিকিৎসক না থাকায় অনেক রোগী, বিশেষ করে নারী রোগীরা, চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। স্থানীয়রা বলছেন, বাধ্য হয়ে তাদের ব্যয়বহুল বেসরকারি ক্লিনিকে যেতে হচ্ছে, যা নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য কষ্টকর।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জনবল সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে, তবে এখনো কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
চিকিৎসক সংকটে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভোগান্তিতে হাজারো রোগী
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।