Web Analytics

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর স্থলবন্দরে বছরের প্রায় ছয় মাস আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ১৩ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ঈদুল আজহার ছুটিতে সাত দিনের জন্য বন্ধ হওয়া কার্যক্রম প্রায় তিন মাস পরও চালু হয়নি। এতে সরকারের সম্ভাব্য কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে এবং বন্দরের ওপর নির্ভরশীল প্রায় আট হাজার শ্রমিক ও ব্যবসায়ী বিপাকে পড়েছেন।

দীর্ঘদিন পাথর আমদানি বন্ধ থাকায় বন্দর এলাকা ফাঁকা হয়ে আছে এবং শত শত পাথর ভাঙার ক্রাশার মেশিন অলস পড়ে রয়েছে। ব্যবসায়ীরা পাথরের সঙ্গে আসা মাটি ও বালুর শুল্ক, অতিরিক্ত চার্জ, ভারতীয় অংশের সড়কের বেহাল অবস্থা এবং আমদানিকারক-রপ্তানিকারকদের অভ্যন্তরীণ বিরোধকে লোকসানের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বলছে, বারবার আহ্বান জানানো হলেও লোকসানের আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা পাথর আনছেন না।

ল্যান্ড কাস্টমস স্টেশন ও বন্দর সূত্র অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রায় পাঁচ মাস এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রায় ছয় মাস কার্যক্রম বন্ধ ছিল। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরেও এখন পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়নি। রাজস্ব কর্মকর্তা মো. আবুল হোসেন আকন্দ জানান, ভারতীয় অংশের ভাঙা সড়ক মেরামতের কাজ চলছে; তবে লোকসান ঘিরে ব্যবসায়ীদের মধ্যে বনিবনা না হওয়াও বন্ধের কারণ।

13 Aug 26 1NOJOR.COM

দীর্ঘ বন্ধে ধানুয়া কামালপুর বন্দরের রাজস্ব ও আট হাজার শ্রমিকের জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।