মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী হাসিনা চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে ফিরতে চান বলে জানিয়েছেন। ২০২৪ সালের সরকারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানের মুখে তিনি ভারত চলে যান এবং তার অনুপস্থিতিতেই বাংলাদেশে তার বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম চলে। তবে কখন বা কীভাবে তিনি ফিরবেন, সে বিষয়ে তিনি কোনো নির্দিষ্ট পরিকল্পনা বা তারিখ দেননি।
ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার দ্বিতীয় বার্ষিকীতে দিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে অডিও লিংকে বক্তব্য দিয়ে তিনি বলেন, দেশে ফিরলে তার সঙ্গে যেকোনো কিছু ঘটতে পারে, তবু ফেরার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসবেন না। অভিযোগগুলোকে তিনি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অস্বীকার করেছেন। জাতিসংঘের তদন্তকারীরা অবশ্য বলেছেন, তার সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে পরিকল্পিত প্রাণঘাতী সহিংসতার আশ্রয় নিয়েছিল।
বাংলাদেশ সরকার প্রকাশ্য গণমাধ্যম অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় ভারতের প্রতি ক্ষোভ জানিয়েছে। বিশ্লেষক ডেভিড বার্গম্যানের মতে, হাসিনা ফিরলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করা হতে পারে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষ তার সাজা কার্যকরের দাবিতে কর্মসূচি দিতে পারে। হাসিনার দেশ ছাড়ার পর আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হয় এবং ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দলটি অংশ নিতে পারেনি।
হাসিনা ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার ইচ্ছা জানালেন; সরকার ভারতের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ জানিয়েছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।