বিজিবি কর্মকর্তাদের দাবি, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ময়মনসিংহ থেকে সিলেট হয়ে কুমিল্লা পর্যন্ত সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে এক হাজারের বেশি ভারতীয় নাগরিককে জড়ো করেছে, যাদের বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা হতে পারে। ১৯ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব মানুষকে ছোট ছোট দলে ভাগ করে সীমান্তের বিভিন্ন স্থানে রাখা হয়েছে।
বিবিরবাজার ও গোলাবাড়ী সীমান্তে দায়িত্বরত কয়েকজন বিজিবি সদস্য জানান, সম্প্রতি ভোররাতে একজন ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা হয়েছিল। তাকে আটকের পর মথুরাপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে ফেরত পাঠানোর দাবি করা হয়। ২৬ জুলাই সালদানদী সীমান্তে এক নারী ও তিন শিশুসহ চারজনকে জোর করে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টাও বিজিবি প্রতিহত করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
কুমিল্লা ১০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ বলেন, পুশইন ঠেকাতে বিজিবি সতর্ক রয়েছে এবং কোনো ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না। সরাইল অঞ্চলের কমান্ডার জানান, গত দুই মাসে অন্তত ২৫টি পুশইন চেষ্টা প্রতিহত করা হয়েছে। জনবল সংকটের কথা জানালেও কর্মকর্তারা ড্রোনসহ নতুন প্রযুক্তিতে নজরদারির কথা বলেন।
কুমিল্লা সীমান্তে কথিত পুশইন ঠেকাতে সতর্ক থাকার কথা জানিয়েছে বিজিবি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।