২০২৫-২৬ অর্থবছরে জ্বালানি তেল, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস ও বিদ্যুৎ আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট তীব্র হয়েছে। প্রতিবেদনে উদ্ধৃত বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনাল থেকে বুধবার বিকালে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হওয়ার পর দেশজুড়ে লোডশেডিং, গ্যাসের চাপ কমে যাওয়া এবং সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ সারির পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়।
জ্বালানি খাতে মোট আমদানি ব্যয় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৬৫.৫৮ শতাংশ বেড়ে ২০.৯০৪৪ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়, যা আগের বছর ছিল ১৩.৭০৯৪ বিলিয়ন ডলার। জ্বালানি তেল আমদানিতে ব্যয় প্রায় ১০৭ শতাংশ বেড়েছে। এলএনজি আমদানিতে ৭৫ হাজার ৯২৯ কোটি টাকা এবং ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে ২১ হাজার ১১৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম পণ্যের আন্তর্জাতিক মূল্যবৃদ্ধিকে ব্যয় বৃদ্ধির প্রধান কারণ বলা হয়েছে।
পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, ১৪৩টি তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎকেন্দ্রের অন্তত ৬২টিতে জ্বালানি সংকট রয়েছে এবং দৈনিক গড় উৎপাদন ঘাটতি ১,৪৮২ মেগাওয়াটে উঠেছে। দৈনিক প্রায় ৩,৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট চাহিদার বিপরীতে গ্যাস সরবরাহ হয়েছে ২,১৮৫ মিলিয়ন ঘনফুট। ভালুকায় প্রায় ২০টি কারখানা বন্ধের উপক্রম, আর চট্টগ্রামে বাসাবাড়ি, পরিবহন ও শিল্পে সংকট বেড়েছে।
এলএনজি সরবরাহ বন্ধে বাড়তি আমদানির মধ্যেও তীব্র হয়েছে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।