Web Analytics

দ্য ওয়্যার অবলম্বনে প্রকাশিত একটি লেখায় বলা হয়েছে, ১০ অক্টোবর যন্তর-মন্তরে নির্ধারিত বিক্ষোভকে ঘিরে দিল্লিতে ব্যাপক নিরাপত্তা ও চলাচল নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়। লেখকের দাবি, ব্যারিকেড ও পুলিশি নজরদারির মধ্যে পথচারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিল এবং বিক্ষোভে যেতে পারেন—এমন সন্দেহে অনেককে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছিল। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের নর্থ ক্যাম্পাস থেকে লেখক ও তাঁর স্ত্রী বিক্ষোভস্থলে যাওয়ার উপায় ভাবছিলেন।

লেখাটিতে দাবি করা হয়েছে, দিল্লি পুলিশের সহায়তায় বিভিন্ন রাজ্য থেকে অতিরিক্ত পুলিশ আনা হয় এবং কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ২২১টি কোম্পানিকে প্রস্তুত রাখা হয়। ১০টি আটক কেন্দ্র প্রস্তুত, ট্যাক্সি চলাচলে নিরুৎসাহ, হোটেলে অতিথি না রাখা, দুটি প্রধান রেলস্টেশন বন্ধ, ট্রেন বাতিল এবং ৫৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধের কথাও বলা হয়েছে। বিশাল এলাকায় ইন্টারনেট বন্ধ, বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাস এবং ক্যাম্পাস ও রাজনৈতিক কার্যালয়ের চারপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের অভিযোগও রয়েছে।

লেখক জানিয়েছেন, বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেওয়া নেহা ও যোগেন্দ্র যাদবকে আটক করার খবর তিনি পথে শুনেছেন; দীপঙ্কর ভট্টাচার্যকে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে দেখেছেন। লেখাটিতে শত শত তরুণ-তরুণী আটকের, আদেশনামা ছাড়াই বাড়িতে পুলিশ ঢোকার এবং আদালতের কিছু অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। সরকারের নিয়ন্ত্রণ সত্ত্বেও লেখাটি নীরবতাকেও ভিন্নমত ও প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেছে।

12 Oct 26 1NOJOR.COM

১০ অক্টোবরের বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে ব্যাপক নিয়ন্ত্রণ ও আটকের অভিযোগ

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।