সরকার গঠনের পাঁচ মাস পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুগপৎ আন্দোলনের মিত্র রাজনৈতিক দল ও জোটগুলোর সঙ্গে প্রথমবারের মতো নৈশভোজ ও শুভেচ্ছা বিনিময়ে মিলিত হন। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একে দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা ও রাষ্ট্র সংস্কারের নতুন অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি জুলাই ২০২৪-এর ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তাদের আত্মত্যাগেই দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
মির্জা ফখরুল জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করছে। প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ, ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড বিতরণ, ধর্মীয় নেতাদের ভাতা প্রদান, খেলোয়াড়দের ভাতা চালু এবং খাল খনন কর্মসূচি শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, সরকার একটি ভেঙে পড়া রাষ্ট্রীয় ও অর্থনৈতিক কাঠামোর দায়িত্ব নিয়েছে এবং ব্যাংকিং খাতসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয়েছে।
রাষ্ট্র সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুগপৎ আন্দোলনের সময় ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি ও জুলাই সনদ পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী ভবিষ্যতেও মিত্র দলগুলোর সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করবেন বলে জানান তিনি।
মির্জা ফখরুলের ঘোষণা, জুলাই সনদ ও ৩১ দফা কর্মসূচি পূর্ণ বাস্তবায়ন হবে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।