মরহুম ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাকের Bangladesh Jamaat-e-Islami: Its History and Politics বইটির সম্পাদক পূর্ণাঙ্গ পাঠের ভিত্তিতে বইটি মূল্যায়নের আহ্বান জানিয়েছেন। পূর্বনির্ধারিত ব্যস্ততায় প্রকাশনা অনুষ্ঠানে যেতে না পারার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, পুরো পাণ্ডুলিপি সম্পাদনা করেছেন এবং বইটিতে তাঁর লেখা ভূমিকা রয়েছে। লেখকের ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণধর্মী অংশগুলোকে লেখকের নিজস্ব কণ্ঠ অক্ষুণ্ণ রেখে আরও সুসংবদ্ধ, বিশ্লেষণধর্মী ও একাডেমিক রূপ দিতে তিনি কাজ করেছেন।
সম্পাদক জানান, বইয়ের প্রতিটি বক্তব্য বা সিদ্ধান্তের সঙ্গে তাঁর একমত হওয়ার প্রয়োজন ছিল না এবং তিনি লেখকের মূল যুক্তিতে হস্তক্ষেপ করেননি। তিনি প্রকাশনা অনুষ্ঠানের আলোচনায় জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রতিনিধি না থাকায় বিস্ময় প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, দলটির প্রতিনিধি থাকলে সমালোচনার জবাব, ব্যাখ্যা ও ভিন্নমত তুলে ধরে আলোচনা আরও ভারসাম্যপূর্ণ হতে পারত।
তিনি বলেন, দ্য ডেইলি স্টার ও প্রথম আলোর কিছু প্রতিবেদনে ১৯৭১-সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন এবং ক্ষমা চাওয়া নিয়ে কথিত তালবাহানাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বইটিতে জামায়াতের রাজনৈতিক দর্শন, সাংগঠনিক সংস্কৃতি, নেতৃত্ব, কৌশল, সামাজিক ভূমিকা ও সংস্কার নিয়েও আলোচনা আছে। তিনি তথ্য, যুক্তি ও পাল্টা বিশ্লেষণের মাধ্যমে বইটি নিয়ে শালীন ও গঠনমূলক সংলাপের আহ্বান জানান।
আব্দুর রাজ্জাকের জামায়াতবিষয়ক বই নিয়ে পূর্ণাঙ্গ ও যুক্তিনিষ্ঠ বিতর্কের আহ্বান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।