চট্টগ্রাম পুলিশ বলেছে, অনলাইন প্রতারণা ও জুয়া পরিচালনার সন্দেহে গ্রেপ্তার ৬৩ বিদেশির সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন দেশীয় সহযোগীকে শনাক্ত করা হয়েছে। ১০ সেপ্টেম্বর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরের খুলশী থানার কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকার একটি আটতলা বাড়িতে অভিযান চালায় কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট ও খুলশী থানা-পুলিশ। চীন, পাকিস্তান, লাওস, নেপাল ও ভিয়েতনামের ৬৩ নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়; তাঁদের মধ্যে ২০ জন নারী।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা একটি আন্তর্জাতিক অনলাইন প্রতারক চক্রের সদস্য বলে পুলিশের প্রাথমিক ধারণা। তবে তাঁরা কী ধরনের প্রতারণা করতেন, কারা সহযোগী ছিলেন এবং প্রতারণার অর্থ কোথায় যেত, তা তদন্তাধীন। পুলিশ বলছে, বাসা ভাড়া, ইন্টারনেট, যোগাযোগ, যন্ত্রপাতি, খাবার ও যাতায়াতের জন্য দেশীয় ও বিদেশি সহযোগীদের লজিস্টিক সহায়তা ছিল। কয়েকজন অজ্ঞাতনামা সহযোগী পলাতক রয়েছেন।
অভিযানে ১৩৪টি মোবাইল ফোন, ৫৭টি ল্যাপটপসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। ডিভাইসগুলোর ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষায় যোগাযোগ, ওয়েবসাইট ব্যবহার এবং সম্ভাব্য আর্থিক লেনদেনের তথ্য মিলতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ। ব্যাংক হিসাব, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস, কার্ড ও অন্য ডিজিটাল লেনদেনের সঙ্গে ঘটনার যোগসূত্র এবং অর্থ দেশে রাখা হয়েছিল নাকি বিদেশে পাঠানো হয়েছিল, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার ৬৩ বিদেশির মামলায় দেশীয় সহযোগী শনাক্ত করেছে পুলিশ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।