বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটি (বিআরপিএস) রেলওয়ের চলমান ইঞ্জিন সংকট এবং এডিবির অর্থায়নে ৩০টি নতুন লোকোমোটিভ কেনার প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আট দফা দাবি দিয়েছে। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি এসব দাবি ও অভিযোগ তুলে ধরে। তাদের মতে, রেলওয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে একটি স্বার্থান্বেষী চক্র অস্থিরতা তৈরি করছে, যার প্রভাব যাত্রীসেবা, পণ্য পরিবহন ও জাতীয় অর্থনীতিতে পড়ছে।
বিআরপিএস সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান মনির বলেন, এডিবি অর্থায়নে ৩০টি নতুন মিটারগেজ লোকোমোটিভ সংগ্রহের উদ্যোগ সময়োপযোগী এবং এটি ঘিরে ইচ্ছাকৃত বিতর্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে। তিনি ৭০টি মিটারগেজ লোকোমোটিভ সংগ্রহ প্রকল্প বাতিলকে বর্তমান সংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পূর্বাঞ্চলের ইঞ্জিন সংকট অনেকটাই কমত।
সংগঠনটি জানায়, প্রতিদিন রেলওয়ের ২৬৮টি লোকোমোটিভ প্রয়োজন হলেও সচল থাকে গড়ে ১৮০টি। ফলে পূর্বাঞ্চলে ৩২টি ও পশ্চিমাঞ্চলে ৩৬টিসহ মোট ৬৮টি ট্রেন বাতিল হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ৩০টি লোকোমোটিভ দ্রুত কেনা, বাতিল হওয়া প্রকল্প ও চলমান ক্রয়প্রক্রিয়ার অভিযোগ তদন্ত, নিয়োগ বিধিমালা-২০২০ সংশোধন এবং রেলকে অস্থিতিশীল করার অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া।
ইঞ্জিন সংকট নিরসনে দ্রুত ৩০টি লোকোমোটিভ কেনাসহ আট দফা দাবি বিআরপিএসের
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।