রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনে মঙ্গলবার আয়োজিত নাগরিক সংলাপে বক্তারা বলেন, সাইবার সুরক্ষা আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনী মতপ্রকাশ ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত করতে পারে। সাতটি মানবাধিকারভিত্তিক সংগঠনের আয়োজিত সংলাপে তাঁরা আশঙ্কা করেন, নতুন আইনের আওতায় গ্রেপ্তারের সুযোগ বজায় রাখতে সরকার সংশোধনী আনতে পারে।
বক্তারা বলেন, সাইবার অপরাধ দমন জরুরি হলেও তা সংবিধান-স্বীকৃত মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়া চলবে না। আইনের অপব্যবহার ঠেকাতে সুস্পষ্ট সংজ্ঞা, জবাবদিহি এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শের দাবি জানান তাঁরা। সংলাপের সভাপতিত্বকারী শহিদুল আলম বলেন, সরকারকে নাগরিকদের দাবি শুনতে হবে।
প্রধান উপদেষ্টার সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাইবার বা মানহানির আইনে সাংবাদিক কিংবা নাগরিকের কারাদণ্ডের বিরোধিতা করে দেওয়ানি জরিমানার কথা বলেন। সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বিতর্কিত আইন প্রণয়নের সমালোচনা করেন। ড. নাবিলা ইদ্রিস সাইবার আইনে সাধারণ মানুষের হয়রানি ও গ্রেপ্তারের ঘটনায় উদ্বেগ জানান, আর মনির হায়দার জনকণ্ঠ রুদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
ঢাকার সংলাপে সাইবার আইনের সংশোধনীতে মতপ্রকাশ সংকোচনের আশঙ্কা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।